মা-বাবার পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত ওমর ফারুক বাদশা

বেগমগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুক বাদশার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এক বিবৃতিতে তাঁরা বাদশার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে নোয়াখালীতে কোন রাজনৈতিক নেতার মৃত্যুর খবরে সাধারণের মানুষের মনে দাগ কাটেনি। যেটি পেয়েছেন বেগমগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ওমর ফারুক বাদশা। করোনাকালী সময়েও তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে বাসভবনে মানুষের ছুটে যাওয়া এবং জানাজায় অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে অশ্রুসিক্ত বিদায় জানিয়েছেন জনসাধারণ। মা-বাবার কবেরর পাশেই চৌমুহনী পৌরসভা চত্বরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বৃহত্তর নোয়াখালীর অন্যতম রাজনৈতিক ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান ওমর ফারুক বাদশা।

সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদে জানাযা পূর্বে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল হোসেন বাংগালী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুন্নাহার, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী। প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক আলীম উদ্দিন সুজন প্রমুখ।

রেলওয়ে চত্বরে দ্বিতীয় জানাযা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরন, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যাহ বুলু। চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেন ফরসাল,নোয়াখালী পৌরসভা মেয়র সহিদ উল্যাহ খাঁন সোহেল, যুবলীগ নেতা জাহাংগীর হোসেন বাবর মরহুমের বড় ছেলে ইমরান নূর রফি।

 ২৭ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে নোয়াখালী থেকে ঢাকা নেয়ার পথে বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক বাদশা মারা যান। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন নিয়ে ওমর ফারুক বাদশা প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বাংলাদেশ শ্রমিকলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, অবিভক্ত নোয়াখালীর গভর্ণর মরহুম নুরুল হকের কনিষ্ঠ সন্তান ওমর ফারুক বাদশা সদালাপি ও সজ্জন ব্যাক্তি হিসাবে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের মাঝে পরিচিত ছিলেন।

মন্তব্য লিখুন :