সোনাইমুড়িতে আওয়ামীলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ

ওসিসহ আহত ১০, আটক ৫

সংঘর্ষে আহত সোনাইমুড়ি থানার ওসি আবদুস সামাদ।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে আওয়ামীলীগের বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বুধবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সোনাইমুড়ি বাইপাসে জেলা আ.লীগের দুই সহ-সভাপতি সংসদ সদস্য এইচএম ইব্রাহিম ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারি মো. জাহাঙ্গীর আলমের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। 

এ সময় সোনাইমুড়ি থানার ওসিসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে  বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। সংঘর্ষের সময় দোকানপাঠ ও যানবাহনে ভাঙচুর চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিক ৫জনকে আটক করে।

স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন থেকে জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি চাটখিল-সোনাইমুড়ি আসনের সাংসদ এইচএম ইব্রাহিম ও নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারি মো. জাহাঙ্গীর আলমের অনুসারীদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গত মঙ্গলবার সোনাইমুড়ি বাজারে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনার রেশ ধরে বুধবার সন্ধ্যায় সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) উপস্থিতিতে সোনাইমুড়ি বাইপাস এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে কোন এক পক্ষের ছোঁড়া গুলিতে দিদার নামে এক পথচারী আহত হন। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ সময় দোকানপাঠ ও যানবাহনে ভাঙচুর চালানো হয়। সংঘর্ষে সোনাইমুড়ি থানার ওসি আবদুস সামাদ, কনস্টেবল জসিম উদ্দিনসহ চার পুলিশ এবং সোনাইমুড়ি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক আবু সায়েম সহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। 

এ ব্যপারে পুলিশ সুপার মো: আলমগীর হোসেন জানান, ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। ঘটনাস্থলে জেলা সদর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি। 


মন্তব্য লিখুন :