নোয়াখালী শহরে সুপেয় পানি সংকট দূর করার লক্ষ্যে নির্মাণ হচ্ছে ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগার

পৌর সভার পুরাতন হাউজিং এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মেয়র সহিদ উল্যাহ খাঁন

নোয়াখালী শহরে আগামী এক বছরের মধ্যে সুপেয় পানির সংকট দূর করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর-ডিপিএইচই মাধ্যমে ৪৬ কোটি টাকা ব্যয় ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগার নির্মাণ করা হচ্ছে।


বুধবার পৌর সভার পুরাতন হাউজিং এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মেয়র সহিদ উল্যাহ খাঁন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিপিএইচই’র প্রকল্প পরিচালক মো. জহির উদ্দিন দেওয়ান, নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাশ, নোয়াখালী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সুজিত বড়ুয়া।


ডিপিএইচই জেলা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাশ জানান, ২০২০ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া কথা রয়েছে। প্রকল্পের অধীন প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে লৌহ দুরিকরণ প্ল্যান্ট। শহরের পার্শ্ববর্তী নোয়ান্নই ইউনিয়নে ইতোমধ্যে ভূ-গর্ভ থেকে পানি উত্তোলণের প্ল্যান্টের কাজ শুরু করা হয়েছে। সেখান থেকে পানি উত্তোলন করে তা হাউজিং এলাকায় নির্মাণাধীন লৌহ দুরিকরণ প্ল্যান্টে আসবে। এখান থেকে পানি বিশুদ্ধ হয়ে তিনটি উচ্চ পানি ধারণ হাউজের মাধ্যমে বাসিন্দাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হবে। তিনি আরো জানান, এ লৌহ দুরিকরণ হাউজে প্রতি ঘন্টায় ৩৫০ ঘন মিটার পানি পরিশোধন হবে। 


নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহিদ উল্যাহ্ খান সোহেল জানান, পৌর এলাকার বাসিন্দাদের প্রত্যেকের জন্য সুপেয় পানি নিশ্চিত করা তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল। তিনি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর সুপেয় পানি সংকট দূর করতে বিভিন্ন দপ্তরের দারস্ত হয়েছেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নোয়াখালী পৌর এলাকার কোনো বাসিন্দা সুপেয় পানির অভাবে থাকবে না। 


নোয়াখালী পৌর শহরে ২০০৫ সাল থেকে সুপেয় পানি সরবরাহ প্রকল্প শুরু করা হয়। শহরের কিছু এলাকার সুপেয় পানি সংকট দুর হলেও সংকটাপন্ন রয়ে গেছে বেশিরভাগ এলাকা। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ভূগছে পুরাতন হাউজিং এলাকার প্রায় দেড় হাজার পরিবার। 


মন্তব্য লিখুন :