নিউইয়র্কে প্রবাসী নোয়াখালীবাসীর জন্য কমিউনিটি এক্টিভিস্টদের 'হেল্পলাইন'

করোনা সংক্রমনে বিপর্যস্থ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাসরত নোয়াখালীর বাসিন্দাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন কমিউনিটির কিছু পরিচিত মুখ। যে কোন প্রয়োজনে সহযোগীতার জন্য নিজস্ব উদ্যোগে প্রবাসী নোয়াখালীবাসীর জন্য “হেল্পলাইন” এর মাধ্যমে সেবা দিন চান তাঁরা। নিউইয়র্ক সময় মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টায় এই হেল্পলাইনের বিষয়টি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন নোয়াখালীর কৃতি সন্তান বাংলাদেশ সোসাইটি ইউএসএ ইনক্ এর সদস্য মাইনুল উদ্দিন মাহবুব। এরপর এ ঘন্টায় এটি ব্যাপক সাড়া ফেলে কমিউনিটিতে। অনেকে শেয়ার দেওয়ার মাধ্যমে এতথ্য ছড়িয়ে দেন। ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমনে গোটা দুনিয়ার সবচে বিপর্যস্থ নগরী হচ্ছে নিউইয়র্ক। নিউইয়র্ক কখনো ঘুমায়না এমন প্রচলিত ধারণার ব্যাতয় ঘটিয়ে এক নির্জীব নগরী এখন। আক্রান্ত আর মৃতের সংখ্যা বাড়ছে হুহু করে। ইতোমধ্যে  করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাবাসী নোয়াখালীবাসীর মধ্যে গত কয়েক দশক ধরে নিউইয়র্কে বসবাসরত বেগমগঞ্জ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক  জনাব আব্দুর রাজ্জাক, কোম্পানীগন্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএসএ এর সম্মানিত  সদস্য মোহাম্মদ ওজি উল্লাহ খোকন, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের পুর্ব একলাশপুর গ্রামের আমিন উল্যাহ (মোল্লা)সহ অনেকে মৃত্যুবরণ করেছেন। আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন অনেকেই। নিহতদের দাফন এবং আক্রান্তদের পাশে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটিসহ উপজেলা সংগঠনগুলো দাঁড়িয়েছে। এরবাইরেও কমিনিটিতে সক্রিয় নেতৃস্থানীয়রা যার যার অবস্থান থেকে কাজ করছেন। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাংগঠনিক কার্যক্রমের বাইরে ব্যাক্তিগত উদ্যোগকে সমন্বিতভাবে প্রবাসী নোয়াখালীবাসীর পাশে থাকতে এই হেল্পলাইন। নিউইয়র্কে বসবাসরত প্রবাসীরা এই হেল্পলাইনে উল্লেখিত নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারবেন যেকোন সহযোগীতার জন্য। এতে সাড়া দেওয়ার জন্য যারা থাকছেন তাঁরা সবাই কমিউিটিতে পরিচিত মুখ।

জরুরী প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য নাম্বারগুলো হচ্ছে- মফিজুর রহমান-৯১৭-৪৩৪-৪২৫৮, আবদুর রব-৯১৭-৫৪৪-২১৪২, খোকন মোশাররফ -৯১৭-৬০৯-৬০৮৩, নাজমুল হাসান মানিক- ৯১৭-৮৬৩-৪৬৫৭, জাহিদ মিন্টু-৩৪৭-৬০৯-৫৮২৮, মোঃ তাজু মিয়া-৩৪৭-৩৮৬-৮১৬০, মাইনুল উদ্দীন মাহবুব- ৭১৮-৩১২-৯৭২১।

এনিয়ে জানতে চাওয়া হলে মাইনুল উদ্দিন মাহবুব প্রবাসে নোয়াখালীকে বলেন- নাগরিক দায়িত্ববোধ থেকে এই কাজটা করা। কমিউিনিটিতে একসাথে চলতে গিয়ে সবাই সবার পরিচিত হয়ে উঠেছে। যার যার অবস্থান থেকে যতটুকু সহযোগীতা করা সম্ভব সেই চেষ্টা থেকেই আমরা ক’জন একত্রে কাজটা করতে চাই। এর বেশী কিছু নয়। তাছাড়া সংগঠনগুলো নিজস্ব নিয়মেই কর্মকান্ড অব্যাহত রাখবে।



মন্তব্য লিখুন :