নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

গ্রেফতারকৃত সাইফুল।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থেকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কৌশলে তুলে নিয়ে ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের  অভিযোগে সাইফুল (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ। এনিয়ে গ্রেফতারকৃত সাইফুলকে প্রধান আসামী করে সাতজনের বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন শিশুর মা। ধর্ষণের শিকার শিশু বেগমগঞ্জের কাদির পুরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী।

বুধবার রাতে সাইফুলকে গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে মাধ্যমে সাইফুলকে কারাগারে প্রেরণ ও আদালতে ২২ধারায় ভিকটিমের জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়। গ্রেফতারকৃত সাইফুল ইসলাম সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বৃষ্ণপুর গ্রামের বালি বাড়ীর মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে। মামলার অপর আসামীরা হচ্ছেন, মিরাজ হোসেন, কামাল ডাক্তার, কবির হোসেন, জাকের হোসেন, মাস্টার ও ফারুক।

সুধারাম থানা পুলিশ ও দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বেগমগঞ্জ উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রী (১১) এর সাথে মোবাইলে কথা বলতো মিরাজ হোসেন নামের এক যুবক। এর সূত্র ধরে গত ২১ডিসেম্বর শনিবার দুপুরে ভিকটিমকে মোবাইলে স্থানীয় কুতুবেরহাট বাজারে ডেকে আনে সাইফুল। পরে মিরাজ মাইজদীতে আছে সেখানে যাওয়ার পর তাদের বিয়ে হবে বলে প্রলোভন দিয়ে মাস্টার নামের এক সিএনজি চালকের গাড়ীতে তুলে নেয় সাইফুল। মাস্টার ভিকটিমকে নিয়ে কবিরহাট হয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে রাত ৮টার দিকে মাইজদী পারিবারিক বোডিং এ নিয়ে যায়। পরে বড়িং এ স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে কৌশলে সাইফুল তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ভিকটিমের। পরের দিন রবিবার সকালে  সিএনজি চালক মাস্টার বাড়ীতে নিয়ে ভিকটিমকে আটক রেখে পরদিন সোমবার  সকালে মাস্টার, কামাল ডাক্তার, কবির ও জাকের ভিকটিমকে তাদের বাড়ীর সামনে রেখে পালিয়ে যায়।

সুধারাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনায় বুধবার রাতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সাইফুলকে প্রধান আসামী করে সাত জনের বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতে অভিযান চালিয়ে সাইফুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। ভিকটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন :