ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায়

সেনবাগে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, হামলা ভাংচুর আহত ৮

নোয়াখালীর সেনবাগের ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় এক কলেজ ছাত্রী (১৯) কে নিজ বসতঘরে ডুকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে শ্লীলতাহানির করার সময় জোবায়ের (৩২) নামের এক বখাটেকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার জের ধরে ওই কলেজ ছাত্রীর বসতঘরে হামলায় লুটপাট ছাত্রীর মা বোন, চাচীসহ ৭ নারী ও ১ শিশুসহ ৮জন আহত হয়েছেন। এনিয়ে সেনবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টা দিকে উপজেলার ৭নং মোহাম্মদপুর ইউপির দক্ষিণ রাজারামপুর গ্রামের ওলি কাজী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

আহতরা হচ্ছেন- রৌশন আরা (৪৫) নিলুফার ইয়াসমিন (২০) তাসলিমা আক্তার (২৩) রেজিয়া বেগম (৩৫) সাজ্জাদুল ইসলাম নাহিদ (১২)কে সেনবাগ থানা পুলিশ উদ্ধার করে সেনবাগ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করান। এদের মধ্যে নাজমুন নাহার (২৫) তাহেরা বেগম (৩৮) ও জান্নাতুল নাঈম (১৬) প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। 

ভিকটিমের বোন রোববার বিকেলে সাংবাদিকদের জানান, লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক মহিলা কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রী (১৯)ও প্রবাসী বেলালের কন্যা বৃহস্পতিবার রাতে সাড়ে ১১ টারদিকে প্রকৃতির ডাকে বাহির হয়। এই সুযোগে একই বাড়ী বখাটে জোবায়ের হোসেন (৩২) কৌশলে ঢুকে লুকিয়ে পড়ে। ছাত্রীটি ঘুমিয়ে পড়ার পর যোবায়ের তার শরীরের স্পর্শকাতর বিভিন্ন স্থানে হাত দেয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় ভিকটিম চিৎকার দিয়ে ধস্তাধস্তি শুরু করলে জোবায়ের ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ছাত্রীকে কামড়িয়ে জখম করে। এসময় চিৎকারে শুনে ঘরে থাকা মহিলারা এগিয়ে এসে যোবায়েরকে আটক করে। একপর্যায়ে যোবায়েরের লোকজন ঘরে ঢুকে ভিকটিমের পরিবারের লোকজনকে মারধর করে বসতঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং লুটপাট চালিয়ে যোবায়েরকে ছিনিয়ে নেয়।

ছাত্রী জানান, পুলিশ তাদেরকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করালেও বখাটের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হাসপাতাল ত্যাগে বাধ্য করেছে। বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি।  ভিকটিমের বোন নাজমুন নাহার বাদী হয়ে যোবায়েরকে ১নং আসামী  ৮ জনের নাম উল্লেখ্য সহ অজ্ঞাত বেশকয়েকজন কে অভিযুক্ত করে সেনবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি আবদুল বাতেন মৃধা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে। 

মন্তব্য লিখুন :