নোয়াখালীর সুবর্ণচর সৈকত সরকারি কলেজের রজতজয়ন্তী উদযাপন

মেঘনার বুকে জন্ম নেওয়া সুবর্ণচর উপজেলা ছিল সবুজ বেস্টনিতে ঘেরা। তবে আশির দশক থেকে এ উপজেলার দক্ষিণাঞ্চল ছিল বনদস্যু কবলিত। পরবর্তীতে ২০০৪ সালের দিকে স্বমূলে নিধন হয় বনদস্যু। একই সঙ্গে উজাড় হয় এ অঞ্চলের বনায়ন। তবে খ্যাতি রয়েছে নোয়াখালীর কৃষি অঞ্চল হিসেবে। এক সময়ের দস্যু কবলিত নোয়াখালীর সুবর্ণচরে প্রথম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৩ সালে সৈকত ডিগ্রি কলেজ। উপজেলার চরবাটা খাসেরহাট বাজারে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি সম্প্রতি জাতীয়করণ হয়। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পেরিয়েছে এ বিদ্যাপিঠটি। 

শুক্রবার জেলার দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম কলেজ সৈকত সরকারি কলেজের রজতজয়ন্তী উদযাপন করেছে বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। সকাল থেকে বৃষ্টি ও কন কনে শীতকে উপেক্ষা করে কলেজ মাঠ সেজেছে অনন্য নান্দনিককতায়। এক সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন হাজার হাজার শিক্ষার্থীরা একে অপরকে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ে। তাদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে ওঠেছে প্রিয় শিক্ষাঙ্গন। 

দিন ভর এ আয়োজনে থিমসং, গেঞ্জি বিতরণ, বিভিন্ন মুখশের সামনে ছবি তোলা, একে অপরের সঙ্গে আলিঙ্গন, করমর্দন, আড্ডা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন ছিল অন্যরকম। 

সকালে নোয়াখালী-৪ আসন (সদর-সুবর্ণচর) এর সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী রজতজয়ন্তীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক অধ্যক্ষ সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনম খায়রুল আলম সেলিম, কলেজের অধ্যক্ষ মোনায়েম খান, রজতজয়ন্তী উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম সুমন ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম রাজীবসহ অনেকে। 



নোট- ছবি সাংবাদিক লিটন দাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পাতা থেকে নেয়া।





মন্তব্য লিখুন :