যুবককে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা

কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গোলাম কিবরিয়া মিন্টু নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েদুল হক তানভীরসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ১৫জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।  নিহত মিন্টু র স্ত্রী রিনু বেগম বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিক্ষুব্দ জনতা তানভীরের ঘর ভাংচুর করে। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েদুল হক তানভীর শনিবার বিকেলে চরকাঁকড়া ২নং ওয়ার্ড নিজ বাড়ী থেকে তার মিন্টুকে ডেকে পার্শ্ববর্তী শহীদ ছিদ্দিক উল্যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্ব থেকে উপস্থিত থাকা তানভীরের সহযোগি তৌহিদুল ইসলাম,  পিয়াস, হৃদয়,  রাব্বী, রিপন, রুবেল ও বিপ্লবসহ ১০-১৫জন মিলে মিন্টুকে লাঠি-সোঠা দিয়ে পিটিয়ে মুমুর্ষ অবস্থায় ফেলে চলে যায়।

সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় মিন্টুকে উদ্ধার করে প্রথমে কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। পরে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় রোববার রাতে মিন্টুর স্ত্রী বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-২৬, তারিখ-২১-০৭-১৯)।
এদিকে রোববার সন্ধ্যায় মিন্টুর লাশ দাফনের পূর্বে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা তানভীরের বাড়ীতে বিক্ষুব্দ জনতা হামলা-ভাংচুর করেছে। প্রতিবাদী বিক্ষুব্দ জনতা তানভীরের ঘর ভাংচুর করে যাওয়ার পথে তার বাড়ীর দরজায় একটি খড়ের গাদায় অগ্নিসংযোগ করে। সংবাদ পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ ওই এলাকায় গিয়ে হামলা-ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগকারী কাউকে পায়নি বলে জানায়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, গোলাম কিবরিয়া মিন্টুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী রিনু বেগম বাদী হয়ে ৮জনের নাম উল্লেখ করে ১৫জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

মন্তব্য লিখুন :