করোনা প্রতিরোধে নোয়াখালীতে সামাজিক সচেতনতায় সেনাবাহিনী

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে নোয়াখালীতে মাঠে তৎপর রয়েছেন সেনা সদস্যরা। করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে প্রচারণা, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার ব্লক আঁকাসহ সচেতনতা কার্যকক্রমের জেলার সদর, বেগমগঞ্জ, সোনাইমুড়ী ও চাটখিল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সচেতনতামূলক মাইকিং, প্রচারপত্র, সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ, সড়কে জীবাণুনাশক স্প্রে এবং দোকানপাটের সামনে তিন ফিট দূরত্বে ক্রেতাদের অবস্থানের চিহ্ন আঁকেন।

শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মেজর কামরুল আহসানের নেতৃত্বে কুমিল্লা সেনানিবাসের একদল সেনা সদস্য এ কর্মসূচি পালন করেন।

জানা গেছে, সকাল থেকে মেজর কামরুল আহসানের নেতৃত্বে নোয়াখালীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র চৌমুহনী, জেলা সদরের মাইজদী, সোনাপুর, দত্তেরহাট, চাটখিল উপজেলার চাটখিল বাজার, দশঘরিয়া, শাহাপুর, সোমপাড়া, মল্লিকা দিঘিরপাড়, খিলপাড়া ও দেলিয়াই বাজার এলাকায় এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

শনিবার সকালে জেলার প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র চৌমুহনীতে সোনাবাহিনীর প্রচারণা ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে কোনাকাটার জন্য ব্লক আঁকেন। এছাড়াও চৌমুহনী রেলগেট এলাকা থেকে তারা প্রথম প্রদর্শনী কার্যক্রম শুরু করে নোয়াখালীর জেলার প্রধান প্রধান শহরে তারা প্রদর্শন করেন।  

এই কার্যক্রমের আওতায় জন সচেতনতা সৃষ্টিতে পায়ে হেঁটে ও  মাইকিং করে করোনা নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান। করোনা থেকে রক্ষা পেতে কিভাবে চলাফেরা করতে হবে সে বিষয়ে লিফলেটও বিতরণ করা হয়। সেই সঙ্গে সকলকে ঘর থেকে অকারণে বাহিরে বের না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেজর কামরুল আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেগমগঞ্জ সার্কেল শাহজাহান শেখ, বেগমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর- রশীদ চৌধুরী, বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সারোয়ার কামাল।

মেজর কামরুল আহসান বলেন, আমাদের টহলের মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে অপ্রয়োজনে যাতে কোথাও জনসমাগম না হয়, যারা বিদেশ থেকে এসেছেন তারা যেন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকেন- তা নিশ্চিত করা, লোকজন যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে। বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ এবং গণমাধ্যমের সমন্বয়ে জনগণের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করা।


মন্তব্য লিখুন :