ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

চাটখিলে অনিয়মের অভিযোগে সাত হাসপাতালকে জরিমানা

নোয়াখালীর চাটখিলের নানা অনিয়মের অভিযোগে সাতটি হাসপাতালকে চার লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার  দিনব্যাপী পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের  নির্বাহী  ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকনুজ্জামান খান ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাত, বিএমএ প্রতিনিধি ডা. দ্বীপন চন্দ্র মজুমদার, ড্রাগ সুপার মাসুদুজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করে চাটখিল থানা পুলিশ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদ ও জনগণের অভিযোগে প্রেক্ষিতে ‘চাটখিল ইসলামিয়া হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৭০ হাজার, চাটখিল ফিজিও থেরাপি সেন্টারকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৩৫ হাজার, নবজাতক শিশু চাইল্ড কেয়ার ও গাইনি হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৭৫ হাজার, জনজীবন মেডিক্যাল সার্ভিসেসকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৭০ হাজার, চাটখিল শিশু হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৮৫ হাজার, চাটখিল স্কয়ার হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৪৫ হাজার ও ডা. জেবুন্নেছা জেনারেল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকাসহ সাতটি হাসপাতালকে মোট ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।


মন্তব্য লিখুন :